1. ssexpressit@gmail.com : bdmessenger :
  2. azizulpress14@gmail.com : Azizul Hakim : Azizul Hakim
সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২৭ অপরাহ্ন

আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র একসঙ্গে চলতে পারেনা—– মির্জা আব্বাস।

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪
  • ২৪৯ বার পড়েছেন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ০৬ জুলাই।

আওয়ামী লীগ এবং গণতন্ত্র এক সঙ্গে চলতে পারেনা। যেখানে আওয়ামী লীগ আছে,সেখানে গণতন্ত্র নাই। আর যেখানে গণতন্ত্র আছে, সেখানে আওয়ামী লীগ থাকতে পারেনা বলে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থানীয় কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

শনিবার বিকেলে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃর্শত মুক্তির দাবির সমাবেশে শহরের খন্দকার দেলোয়ার হোসেন “ল” কলেজের মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, বিএনপির আর গণতন্ত্র এক সাথে চলতে পারে। খালেদা জিয়া ব্যতিত গণতন্ত্র কখনই চলতে পারেনা, হতে পারেনা। আর আওয়ামী লীগ এবং গণতন্ত্র এক সঙ্গে চলতে পারেনা। যেখানে আওয়ামী লীগ আছে,সেখানে গণতন্ত্র নাই। আর যেখানে গণতন্ত্র আছে, সেখানে আওয়ামী লীগ থাকতে পারেনা। তাই যে কোন মূল্যে আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করতে হবে। কারন খালেদা জিয়ার মুক্তির উপর নির্ভর করবে, আমাদের দেশের মানুষের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। সুতরাং খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন আরো বেগবান ও জোরদার করতে হবে। আমরা খালেদা জিয়াকে জীবিত অবস্থায় দেখাতে চাই, তুমি দেখে যাও। আমরা পারি বা না পারি, তোমার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি, যুদ্ধ, আন্দোলন করেছি।

মির্জা আব্বাস আরও বলেছেন,একবার যুদ্ধ করেছি দেশ স্বাধীনের জন্য। আকেরটি বার দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ করতে চাই। এখন যদি দেশের জন্য কিছু করতে না পারি। তাহলে আর কখনই আমরা দেশের জন্য কিছুই করতে পারবনা। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজকে জেলে বন্দি,অসুস্থ্য। এই অবস্থায় আপনাদের মতো ভাইয়েরা আর আমাদের মতো মুরুব্বিরা। যদি বসে থাকি,তাহলে বেগম খালেদা জিয়া কখনই মুক্তি পাবেনা, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষ মুক্তি পাবেনা। যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেন নাই। তারা এখন দেশ রক্ষার যুদ্ধে অবর্তীণ হবেন এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন। কারন আপনাদের এখন মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বয়স।

তিনি আরও বলেন, একবার যুদ্ধ করেছি দেশ স্বাধীনের জন্য। আকেরটি বার যুদ্ধ করতে চাই দেশের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। এই বয়সে, এই সমেয় যদি দেশের জন্য কিছু করতে না পারি। তাহলে আর কখনই আমরা দেশের জন্য কিছুই করতে পারবনা। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজকে জেলে বন্দি,অসুস্থ্য। এই অবস্থায় আপনাদের মতো ভাইয়েরা আর আমাদের মতো মুরুব্বিরা। যদি বসে থাকি,তাহলে বেগম খালেদা জিয়া কখনই মুক্তি পাবেনা, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষ মুক্তি পাবেনা। যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে পারেন নাই। তারা এখন দেশ রক্ষার যুদ্ধে অবর্তীণ হবেন এবং যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন। কারন আপনাদের এখন মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বয়স।

তিনি পেনশন স্কিমের সমালোচনা করে বলেন,জনগণের ট্যাক্সের টাকা লুট করে, বিদেশে গিয়ে ছেলেদের গাড়ী কিনে দিবেন। মতিউর রহমানের মেয়ে দামি গাড়ী চালাবে, দামি ভবনে থাকবে। আর আমার দেশের কৃষক তার শস্যের যথাযথ মূল্য পারেনা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে দেশের মানুষ আজকে পাগল হয়ে গেছে! অস্থির দেশের মানুষ। সেখানে আপনারা অপকর্ম করছেন আর বলছেন সার্বজনীন পেনশন স্কিম। অর্থাৎ সরকারের কোষাগারে টাকা শূণ্য হয়ে গেছে। সুতরাং অন্যজনের পকেট কেটে এখন, কোষাগার ভর্তে হবে। আর কিছুদিন পর দেশের জনগণের উপর সার্বজনীন পেনশন স্কিম চালু করা হবে। তখন সরকার বলবে, সার্বজনীন কোটায় জনগণের টাকা ডিপোজিট করতে হবে। এই সমস্ত জাল জুয়াচুরি, দেশের জনগণ মেনে নেবে না। অনেক করেছেন আর করবেন না।

 

সরকার প্রধানের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী কি করল আর কি না করল। এটা আমাদের দেখার বিষয় না। আমার দেখার বিষয় হলো, একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী কেন? আরেকটা দেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি নিয়ে কেন বিদেশে যাবে। তার অর্থ হলো, এই সরকারের প্রতিটি কর্মচারী, কর্মকর্তা, মন্ত্রী সচিব, সব আজকে বিদেশের ইশারায় চলে। আমাদের দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য তারা কাজ করেনা। অথচ বেগম খালেদা বার বার বলেছেন,বিদেশে আমাদের বন্ধু থাকতে পারে। আমাদের কোন প্রভু থাকতে পারেনা। আমরা কারো গোলামি কিংবা সত্ব করি না, করবনা, করতে চাই না। আজকে সেই কারনে বেগম খালেদা জিয়া জেলে। আর ওই কারনেই আওয়ামী লীগ আজকে সারাদেশে লুটের রাজত্ব কায়েম করেছে। যাতে কেউ কিছু বলতে না পারে। আমরা (বিএনপি) কিছু বললে, বিনা কারনে আমাদের নেতাকর্মীকে জেলে পাঠিয়ে দেয়। আসলে যে যিনি (কর্মকর্তা) আমাদের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেন, যে যিনি মামলা লিখেন, যে যিনি চার্শিট দেন এবং যে যিনি রায় দেন। তিনিও (কর্মকর্তা) জানেন, যে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্দোষ।

তিনি আরও বলেন, কোটা আন্দলন কি, সেটা আমি বুঝি নাই। আমার বোঝার দরকারও নাই। আমরা পড়ালেখা করেছি, আমরা তো কোটার কথা শুনি নাই। যে লেখাপড়ায় ভালো করবে, সে চাকরি পাবে। তাহলে কোটা কার জন্যে। সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধার সন্তান থাকলে কোটা দিতে পারেন। কিন্তু ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে কোটা দিলে আমাদের আপত্তি আছে। তবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে যথাযথ সম্মান দিতে হবে, এটা আমাদের কাম্য।

সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি আফরোজা খানম রিতার সভাপতিত্বে ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী সায়্যেদুল আলম বাবলু, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো, নজরুল ইসলাম আজাদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস.এ জিন্নাহ কবির ও সাংগঠনিক সম্পাদক নূরতাজ আলম বাহারসহ অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :