স্টাফ রিপোর্টার,২২মে।
মানিকগঞ্জের শিবালয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি সুদীপ ঘোষ বাসুর বাড়ীসহ আরো এক নেতার বাড়ীতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।এঘটনায় মামলা হয়েছে।
এঘটনাকে নির্বাচনী নির্বাচন পরবর্তী ক্ষোভের বহি:প্রকাশ বলে মনে করছেন আওয়ামীলীগের একাংশের নেতা কর্মীসহ সুদীপ ঘোষ বাসু নিজেও। তিনি সদ্য সমাপ্ত(মঙ্গলবারের উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী উপজেলা আওয়ামীলীদের সভাপতি রেজাউর রহমান খান জানুর সমর্থক ছিলেন।
ঘটনার রাতে অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই শিবালয় থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এছাড়া বুধবার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খানসহ পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারন সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালামসহ সিনিয়র অনেক নেতা সুদীপ ঘোষ বাসুর বাড়ীতে গিয়ে তার পরিবারকে ভীত না হওয়ার পরামর্শ দেন।
এদিকে এঘটনায় সুদীপ ঘোষ বাসু শিবালয় থানায় একটি সাধারন ডাইরী করেছেন তাতে তিনি দাবী করেছেন, মঙ্গলবার রদিবাগত রাত ২টা কিংবার তার কিছুপরে কোন এক সময়ে তার পৈত্রিক বাড়ীর আঙ্গিণায় শিবালয় উপজেলার দশচিড়া গ্রামে অজ্ঞাত পরিচয়ের দুবৃত্বরা বাড়ীর একাধিক বিকট শব্দেরককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। প্রথম বিস্ফোরনে তার ঘুম ভেঙ্গে যায় । এরপরই আরো দুটি বিকট শব্দের আওয়াজ শুনে। পরে তিনি শিবালয় থানা পুলিশকে অবহিত করলে। রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে বিস্ফোরিত বস্তুর আলামতের ছবি ধারন করে নিয়ে যায়।
এরআগে একই গ্রামে শিবালয় উপজেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আরেক নেতা মো. পিন্টু মিয়ার বাড়ীতে রাত আনুমানিক ১১টা কিংবার তার পরে একই ষ্টাইলে বিকট শব্দের ককটেল বিস্ফোরন ঘটার শব্দ ঘটায় দুবৃত্তরা। বিষয়টি তিনি শিবালয় থানা পুলিশকে অবহিত করেছেন। এব্যাপারে পিন্টু মিয়া শিবালয় থানায় পৃথক একটি সাধারন ডাইরী করেছে বলে জানা গেছে।
এব্যাপারে শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুর রউফ সরকার জানান, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পরই পুলিশ সরেজমিনে গিয়েছে।কিছু আলামতও তারা সংগ্রহ করেছে। এব্যাপারে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে।বিষয় তদন্ত করে কারা এঘটনার সাথে সম্প্রক্ত তাদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলমান।
Leave a Reply