ডেস্ক রিপোর্ট
গত ৯ এপ্রিল শিবালয় উপজেলা জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি। জেলা কৃষকদলের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাইদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল সালাম বাদল স্বাক্ষরিত এ কমিটিতে মো. আনিসুর রহমান (আনিস) সভাপতি, রেজাউল করিম খোকন সিনিয়র সহ-সভাপতি, আলমগীর হোসেন বাদল সাধারণ সম্পাদক, আ: জলিল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মো. মাসুদ রানা সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন।
কমিটি ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আ: জলিলকে নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিশেষ করে, একটি পক্ষ ফেসবুকে একটি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটির কাগজপত্র পোস্ট করে দাবি করে, আ: জলিল আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ালেও অবশেষে মুখ খুলেছেন আ: জলিল।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিপক্ষ একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। যে কাগজটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, সেটি এডিট করে বানানো হয়েছে। ওই এলাকায় একাধিক জলিল নামের ব্যক্তি রয়েছেন। আমি ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপি পরিবারের সঙ্গে জড়িত এবং দলের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছি। ২০১৮ সালে আমার নামে তিনটি মামলা হয়, আমি জেলও খেটেছি, আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়েছি।”
আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ছবি এবং নির্বাচনী প্রচারণার প্রসঙ্গে আ: জলিল বলেন, “উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউর রহমান খান জানু নির্বাচনী প্রচারে আমার এলাকায় এলে আমি একটি চায়ের দোকানে ছিলাম। সেই মুহূর্তে আমার অজান্তে ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। আবার, একটি ওরশ উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুর রহিম খান আমার বাড়িতে আসলে তার সঙ্গেও ছবি তোলা হয়।”
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি কৃষক দল ও বিএনপির একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। একটি মহল ষড়যন্ত্রমূলকভাবে আমার ভাবমূর্তি নষ্টের চেষ্টা করছে।”
Leave a Reply