1. ssexpressit@gmail.com : bdmessenger :
  2. azizulpress14@gmail.com : Azizul Hakim : Azizul Hakim
সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:১১ অপরাহ্ন

পুলিশের বিরুদ্ধে ভূয়া কাবিনে শারীরিক সর্ম্পক ও অর্থ-আত্মসাতের অভিযোগে মামালা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৫ মে, ২০২৪
  • ২৯৫ বার পড়েছেন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, ০৫মে।
মানিকগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ভূয়া কাবিনের মাধ্যমে শারীরিক সর্ম্পক ও প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠেছে হরিরামপুর থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আকবর আলী খন্দকারের বিরুদ্ধে।

গত বুধবার (২৪ এপ্রিল) মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সদর আমলী আদালতে মামলা করেন নির্যাতন ও প্রতারণার স্বীকার ভুক্তভোগী ওই নারী।
অভিযুক্ত পুলিশ এএসআই আকবর আলী খন্দকার বর্তমানে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর থানায় কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি মানিকগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত থাকা অবস্থায় ওই নারীর সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন।
নির্যাতন ও প্রতারণার স্বীকার ভুক্তভোগী ওই নারীর বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায়। তিনি স্বামী পরিত্যক্ত দুই সন্তানের জননী।

এজহারপত্রে জানা যায়, থাকায় কাজের সুবাধে ওই নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ে প্রলোভনে পারিবারি সমস্যার অযুহাতে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা নেন আকবর আলী খন্দকার। পরে বিয়ে কথা বলে ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর ভূয়া কাবিননামায় স্বাক্ষর নেন এবং স্বামী পরিচয়ে নিয়মিত ওই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন তৎকালিন মানিকগঞ্জ সদর থানার এএসআই আকবর আলী খন্দকার। কাবিনের কয়েকমাস পর ওই নারী আকবর আলী খন্দকারের পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবণতি ঘটে। এরপর থেকে ওই নারীর সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন আকবর আলী খন্দকার। পরে থানায় যোগাযোগের মাধ্যমে আকবর আলী খন্দকারের সাথে দেখা করেন এবং তাদের বিয়ের কাবিননামা চান ভুক্তভোগী ওই নারী।কিন্তু ওই নারীকে কাবিননামা না দিয়ে তাদের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করেন এবং স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন। পরে এঘটনায় ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে এবং চলিত বছরের ২৮ জানুয়ারি জেলা লিগ্যাল এইডে লিখিত অভিযোগ করেন ওই নারী। কিন্তু কোথায় আইনগত সহযোগীতা না পেয়ে বাধ্য হয়ে স্ত্রীর অধিকার আদায়ে মানিকগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন ভুক্তভোগী ওই নারী।

এবিষয়ে অভিযুক্ত আকবর আলী খন্দকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে কাজের অযুহাতে তিনি ফোন কেটে দেন। এরপর তার সাথে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।

মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ গোলাম আজাদ খান জানান, অভিযোগ পেয়েছি,বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর মামলার বিষয়টি পিবিআই তদন্ত করছে, তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলতে পারবো।

ভুক্তভোগী ওই নারী জানান,দুই সন্তান রেখে প্রায় ৩ বছর আগে স্বামী মারা গেছে। আমার সব কিছু জেনেও তিনি (আকবর আলী খন্দকার) আমাকে বিয়ে করে। বিয়ের কিছুদিন পর কাবিননামা চাই কিন্তু তিনি আমাকে কাবিননামা দিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলতে শুরু করে। এরপর তার বাড়ির ঠিকানা চাইলে তিনি আমাকে স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করে। তখন ধারনা তিনি আমার সাথে প্রতারণা করছে। পরে স্ত্রীর অধিকার আদায়ের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরেও কোন সহযোগীতা না পেয়ে বাধ্য হয়ে কোর্টে মামলা করি। আমি স্ত্রীর অধিকার চাই, আমার আর কিছূ লাগবেনা।

তিনি আরও জানান,পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মানিকগঞ্জ থানায় অভিযোগের মাধ্যমে পুলিশ আকবর আলী খন্দকারের সাথে পরিচয় হয়। এরপর কাজের অযুহাতে দিনে-রাতে ফোন করে কথা বলতো। একাধিকবার নিষেধ করার পরও তিনি নিষেধ শোনেন নি। এরপর আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ের কথা তার ও বার বাড়ির প্রয়োজনের কথা বিভিন্ন সময় টাকা নিয়েছে। বিয়ের সময় এএসআই আকবর আলী খন্দকার তার বিবাহিত জীবনের কথা গোপন রেখেছিলেন বলেও ওই নারী জানান।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :