1. ssexpressit@gmail.com : bdmessenger :
  2. azizulpress14@gmail.com : Azizul Hakim : Azizul Hakim
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

ঘিওরে মানব পাচার মামলায় স্বামী-স্ত্রীর কারাদন্ড

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪
  • ২৮১ বার পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার,১৩ মে।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে মানব পাচার মামলায় হাসান মোল্লা (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন ও দুই লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় ছালমা আক্তার (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে তিন বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে তিন মাসের কারাদন্ডও প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে মানিকগঞ্জের নারী শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বেগম তানিয়া কামাল আসামী ছালমা আক্তারের উপস্থিতিতে এই রায় প্রদান করেন।

দন্ডিত হাসান মোল্লা মানিকগঞ্জের ঘিওরের রামদিয়া এলাকার ইদ্রিস মোল্লার ছেলে এবং ছালমা আক্তার দন্ডিত হাসান মোল্লার স্ত্রী। দন্ডিতরা সম্পর্কে স্বামী স্ত্রী।

এজহারপত্রে জানা যায়, ৮ লাখ টাকার বিনিময়ে বিদেশ কাজের কথা বলে ২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওরের আশরাফুল ইসলাম আশিষকে মধ্যপ্রাচ্যের ওমানে পাচার করে হাসান মোল্লা ও তার স্ত্রী ছালমা আক্তার। এরপর আশরাফুল ইসলাম আশিষের উপর চালানো হয় অমানুষিক নির্যাতন এবং পরিবারের আস্তে আস্তে যোগাযোগ বন্ধ করে পাচারকারীরা। ছেলের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে বার বার হাসান মোল্লা ও ছালমা আক্তারকে চাপ দিলে আশিষের সাথে যোগাযোগ করতে না পেরে স্থানীয়দের জানান আশিষের পরিবারের লোকজন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে আশিষের পরিবার জানতে পারে প্রবাসের নামে আশিষকে পাচার করে দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয়দের চাপে ও মামলার ভয়ে ২০১৫ সালের ২০ আগস্ট দেশে ফিতর আনা হয় আশিষকে। এরপর দেশে ফিরে পাচার কথা শোনে আশিষের বাবা ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঘিওর থানায় ছালমা আক্তার ও হাসান মোল্লাসহ ৪জনকে আসামী করে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ছালমা আক্তার ও হাসান মোল্লাকে গ্রেফতার করেন। মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পর ছালমা আক্তার ও হাসান মোল্লা জামিনে বের হন এবং হাসান মোল্লা পলাতক থাকেন।

এরপর মামলার তদন্তাকারী কর্মকর্তা এসআই মজিবুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক মো.নুর ইসলাম ২০১৬ সালের ২৭ মার্চ ছালমা আক্তার ও হাসান মোল্লাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্শিট দাখিল করেন। মামলায় ৬জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় আসামী ছালমা আক্তারের উপস্থিতিতে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হাসান মোল্লাকে যাবজ্জীবন ও দুই লক্ষ টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে এক বছরের কারাদন্ড এবং ছালমা আক্তারকে তিন বছরের কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে তিন মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষনার সময় হাসান মোল্লা পলাতক ছিলেন।

রায়ে রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবী একেএম নুরুল হুদা রুবেল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামী পক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম বাদশার মন্তব্য পাওয়া যায় নি।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :