1. ssexpressit@gmail.com : bdmessenger :
  2. azizulpress14@gmail.com : Azizul Hakim : Azizul Hakim
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন

পাটুরিয়া ঘাটে চাঁদাবাজির আধিপত্যে দ্বন্দ্ব চরমে, শঙ্কায় পরিবহন খাত  

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৫৯ বার পড়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট 

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পরও পাটুরিয়া ঘাটে যাত্রী পারাপার অব্যাহত থাকায় এখানকার পরিবহন ব্যবসাকে ঘিরে চাঁদাবাজির অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ঘাট এলাকা। নীলাচল পরিবহনের ‘জিপি’র নামে অতিরিক্ত চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে মালিক পক্ষ ও ঘাট নিয়ন্ত্রকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

ব্যানার মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পাটুরিয়া ঘাট থেকে চিটাগং রোড পর্যন্ত চলাচল করা নীলাচল পরিবহনের বাসগুলোকে প্রতিদিন জিপির নামে গুনতে হচ্ছে ২২০০ টাকা করে। এসব চাঁদার মধ্যে রয়েছে—পাটুরিয়া, উথলী, বরংগাঈল, মানিকগঞ্জ, গাবতলী ও চিটাগং রোডে ভাগাভাগি। একেকটি বাস প্রতিদিন একবার আপ-ডাউন করলেই গুনতে হচ্ছে চড়া হারে এই চাঁদা।

মালিকদের দাবি, নীলাচল পরিবহনের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানের নির্দেশে রোড ইনচার্জ সুমন ও জিএম সরোয়ার এই চাঁদা আদায় করছেন। পূর্বে সাড়ে ৯০০ টাকায় সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২০০ টাকায়। এতে করে প্রতিদিন লোকসানে যাচ্ছে বাসগুলো, অনেক মালিক গাড়ি চালানো বন্ধ করে দেওয়ার কথাও ভাবছেন।

অন্যদিকে, ঘাট নিয়ন্ত্রক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, মালিক পক্ষই নিজেরা জিপির নামে চাঁদা তুলে নিচ্ছে, আর দায় চাপাচ্ছে ঘাট পরিচালকদের ঘাড়ে। শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাল উদ্দিন বলেন, “আমাদের বাস নীলাচলের ব্যানারে চলে, আমরা মালিক না। কী চাঁদা আদায় হয় বা কাকে দেওয়া হয়, তার দায়িত্ব তাদেরই।”

এ নিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন শিবালয় থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন।
অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন জানিয়েছেন, “চাঁদাবাজির কোন সুযোগ নেই। কেউ চেষ্টা করলে আইনের কঠোর প্রয়োগ ঘটবে।”

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :