1. ssexpressit@gmail.com : bdmessenger :
  2. azizulpress14@gmail.com : Azizul Hakim : Azizul Hakim
বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

আঃলীগের পতন হলেও রুবেলের দাপট কমেনি

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৬১২ বার পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার, ১০ নভেম্বর।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মো.ইস্রাফিল হোসেনের বাড়ির কেয়ারটেকার রুবেল মিয়া ওরফে বদুর শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

রোববার দুপুরে সদর উপজেলার দিঘী ইউনিয়নের চান্দরা ও স্বল্প হাতকোড়া এলাকাবাসীর আয়োজনে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রুবেল মিয়া ওরফে বদুর দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি প্রতিবাদে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবিতে এই মানববন্ধন পালন করেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।

এসময় ভুক্তভোগী আমজাদ হোসেন, শামসুর রহমান, হৃদয় মিয়া, আলী হোসেন ও মলি বেগমসহ চান্দরা ও স্বল্পতা হাতকোড়া শতাধিক নারী ও পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

আমজাদ হোসেন বলেন,আওয়ামী লীগে ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় রুবেল মিয়ার ক্ষমতার জোরে আমাদের পরিবারের ৫২ শতাংশ জমির ওপর দিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি ফেলেছে।সেসময় তাদেরকে বাঁধা দিলে,তারা আমাদের উপর হামলা চালায়। সম্প্রতি আমাদের জমির উপর রাস্তার তৈরির জন্য ভেকু দিয়ে রাস্তার তৈরির জন্য মাটি কেটেছে। পরে এলাকার সমন্বয়ে বাঁধা নেই এবং থানায় লিখিত অভিযোগ করি।কিন্তু তিনি এখন বিএনপির লোকজনের সাথে মিলেমিলে এধরণের অপরাধ করে আসছে।

শামসুর রহমান বলেন,আওয়ামী লীগের শাসন আমলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রুবেল মিয়া ক্ষমতার দাপটের অবৈধভাবে মানুষের জমি দখল, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানোসহ চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়া লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিছেন। আওয়ামী লীগ পতনের পরও তার ক্ষমতার দাপট কমেনি। তিনি আগে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে অপকর্ম করতেন। আর এখন তিনি বিএনপির লোকজনের সাথে আতাৎ করে এসব অপকর্ম করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে আেইনগত ব্যবস্থার জন্য থানা পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

এবিষয়ে অভিযুক্ত রুবেল মিয়া জানান,আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে তাদের সাথে মিলেমিলে কাজ করেছি। কারন আমি পেটের জন্য কাজ করে থাকি। আমার বিরুদ্ধে সব মিথ্যা কথা,আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। তবে আমার বাড়িতে যাতায়াতের জন্য খাস জমিতে রাস্তার নির্মাণের জন্য ঢেকু নামিয়েছিলাম। কিন্তু মানুষের চাপের মুখে ঢেকু উঠিয়ে নিয়ে যাই।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি এস.এম আমান উল্লাহ জানান, অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে,তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন :